Yuzvendra Chahal: আগামী ২২ মার্চ থেকে শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ১৮তম সংস্করণ। এর আগেই টিম ইন্ডিয়ার স্বনামধন্য স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালকে (Yuzvendra Chahal) নিয়ে শোরগোল শুরু হয়ে গেছে। বিবাহ বিচ্ছেদের পর স্ত্রীকে মোটা অঙ্কের খোরপোশ দিতে হবে চাহালকে (Yuzvendra Chahal)। বিস্তারিত জেনে নিন Kheladhular Jogot-এর এই প্রতিবেদনে।
আসলে, যুজবেন্দ্র চাহালের (Yuzvendra Chahal) সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে ধনশ্রী বর্মার। যদিও বম্বে হাই কোর্টের নির্দেশে সেই বিবাহবিচ্ছিন্না স্ত্রীকে ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে চহলকে। ২০ মার্চ অর্থাৎ আজকের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের সব প্রক্রিয়া শেষ করতে বলা হয়েছে। ২০২৫ সালের IPL শুরুর আগেই এই নির্দেশ দিয়েছে কোর্ট।
বিচ্ছেদ সম্পন্ন হলো চাহাল-ধনশ্রীর
হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী, সম্পূর্ণ বিবাহবিচ্ছেদের আগে ৬ মাস সময় দেওয়া হয় স্বামী-স্ত্রীকে। সেই সময়ই দেওয়া হয়েছিল চাহাল এবং ধনশ্রীকে। এ বার পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। খোরপোশ হিসাবে চহলকে ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা দিতে বলা হয়েছে। যদিও তিনি এখনও পর্যন্ত ২ কোটি ৩৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
১৩বি (২) ধারা অনুযায়ী, দুই পক্ষ বিবাহবিচ্ছেদ চাওয়ার পর ৬ মাস সময় দেয় কোর্ট। সেটাই এত দিন দেওয়া হয়েছিল চাহালদের। চাহাল এবং ধনশ্রী, দুই পক্ষই বিবাহবিচ্ছেদ চেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও চাহাল (Yuzvendra Chahal) পুরোটা দেননি। কোর্ট সেটা ভাল ভাবে নেয়নি।
কোর্ট জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই আড়াই বছর তাঁরা আলাদা রয়েছেন। বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে চূড়ান্ত রায় দেওয়া হবে। IPL ২০২৫ শুরুর আগে কোর্ট এই মামলার রায় ঘোষণা করতে চাইছে। বেশ কিছু দিন ধরেই চাহালদের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজিরা দিলেই বিবাহবিচ্ছেদ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। তাঁরা ইতিমধ্যেই আলাদা থাকেন।
সমাজ মাধ্যমে ইতিবাচক পোস্ট করলেন ধনশ্রী-চাহাল
সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও নিজেদের একসঙ্গে তোলা ছবি সরিয়ে দিয়েছেন চাহাল ও ধনশ্রী। ইনস্টাগ্রামে একে অপরকে আনফলো করেছেন তাঁরা। ইন্সটাগ্রামে চাহাল লিখেছিলেন, “ঈশ্বর আমাকে কত বার রক্ষা করেছেন তা আমি গুনে শেষ করতে পারব না। আমি শুধু ভাবি, অজান্তে কত বার ঈশ্বর আমাকে রক্ষা করেছেন। সব সময় সহায় হওয়ার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।”
ধনশ্রীও একটা পোস্ট করেছিলেন । তিনি লিখেছিলেন, “চাপমুক্তি। ঈশ্বর আমাদের চিন্তাকে কেমন আশীর্বাদে বদলে দেন। কী অদ্ভুত না? তুমি নয় চিন্তা করবে, নয় তো ঈশ্বরের উপর সব ছেড়ে দেবে। ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস রাখলে তিনি সব ঠিক করে দেন।”